Akhi alamgir banladeshi singer fucking single parent dating pleasant valley connecticut

” ও যেন ভীষণ মজার একটা জিনিস দেখছে এমনভাবে ও ছোট্ট রিশাতকে দেখছিল। আমি কিছুই বলছিলাম না। চুপচাপ বসে ওর কাণ্ডকারখানা দেখছিলাম।একটু পর বলল, “এটা আবার কখন মাল ফেলতে পারবে? –তাহলেও খুব বেশি লাভ হবে না। চার পাঁচ মিনিট এদিক সেদিক হতে পারে। পুরা টাংকি খালি।–তোমার স্পার্ম কাউন্ট কিন্তু ভালো। অনেক বেড়িয়েছে।–তাই নাকি?

আমি খেঁচলে তো একটা বোটল এর মুখাও ভরে না।–তখন তো আর আমি থাকি না। যাকে দেখে তুমি হান্ড্রেড পারসেন্ট এক্সাইটেড হবা।ও বসা থেকে আবার আমার পাশে শুয়ে পড়ল। মনে হয় টায়ার্ড হয়ে গিয়েছিল। তাই রেস্ট নিচ্ছিল। কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল। আর আমি পুরো পরিবেশটা এনজয় করছিলাম। একটু পর বলল, “আমাকে দেখবা না?

If you like this video dont forget to bookmark TXXX.

সেদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল সকাল সাড়ে আটটায়। আমার যতটুকু মনে পড়ে হলের জীবনে আমি কোনদিন একটু শান্তি মত ঘুমাইতে পারি নাই। ন’টার বেশি তো কোন দিনই না। ঐদিন এমনিতেই বাহিরে কি একটা বিষয় নিয়ে পোলাপাইন বেশ হাউকাউ লাগাইছিল। তারপর উপর রুমের দরজাটাও খোলা ছিল। আবার এদিকে ছিল রুমের ছোট ভাইটার অত্যাচার। ও তখন ফার্স্ট ইয়ারে ছিল । যতক্ষণ সে রুমে থাকত ততক্ষণ ঘটঘট করে পড়ত । পুরা রুম ফাটায় ফালাইত। কত বুঝাইছি ওরে, “ভাইয়া, একটু আস্তে আস্তে পড়।” কিন্তু কার কথা কে শুনে। ওর নাকি জোরে জোরে না পড়লে পড়া মুখস্ত হয় না। আরে ভাই আমরা কি পড়ি নাই?

ভাবতেই মাথায় এল হাতের কাছে বেড সাইড টেবিলটাতে। আমি ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে গেলাম বেড সাইড টেবিলটার কাছে। ওটায় তিনটা ড্রয়ার ছিল। আমি প্রথমটা টান দিলাম। কিন্তু পেলাম না। কিসব হাবিজাবি ছিল । অন্ধকারে ভালো করে খেয়াল করতে পারি নাই । দ্বিতীয়টা টান দিলাম। সেটা মনে হয় খালিই ছিল। তৃতীয়টা টান দিলাম কিন্তু খুলল না। সাথে সাথে আমার বুকটাও ধক করে উঠল। আমি ভাবলাম হয়ত তালা দেয়া, আর যদি তাই হয় তাহলে হয়ত সপ্নাকে আজকে হতাশ হতে হবে অথবা আমাকে রিস্ক নিতেই হবে। কিন্তু আমি আবারও একটা টান দিলাম । খুলল না । তৃতীয়বার একটু লুজ দিয়ে আবার একটা টান দিতেই হঠাৎ করে খুলে গেল। ঐ ড্রয়ারটাতে অনেক জিনিস ছিল। এজন্যই খুলছিলো না। আমি খুঁজতেই একটা ডীলডো আর ভাইব্রেটর পেয়ে গেলাম। আমি এর আগে কখনও ডিলডো দেখি নাই। কিন্তু ঐ প্রথমবার দেখে পুরা তাজ্জব বনে গেলাম। জিনিসটা একটা বাড়ার মত। আবার একটা ভাইব্রেটরও আছে যেটাতে একটা কম্পন তৈরি হয়। পুরা বাস্তব ফিলিংস করার জন্য যা যা দরকার সব কিছুই আছে ঐ টয় টাতে। মেয়েদের এত্ত সুবিধা দেখে আমার পুরা ছেলে জাতির জন্য খারাপ লাগছিল। যাই হোক,আমি দ্রুত ডিলডো হাতে ওয়াশরুম থেকে অলিভ অয়েলটা নিয়ে সপ্নার কাছে আসলাম। এসে দেখি সপ্না চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। আমি ভাবলাম ঘুমিয়ে গেছে। কিন্তু পরে টের পেলাম ও আসলে তখনও Climax এ ছিল। আমার ডিলডোটা খুঁজে আনতে সময় লেগেছিল প্রায় পনেরো,বিশ মিনিটের মত। এর মাঝেও যে ওর Climax ছিল এটা আমার জন্য বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হচ্ছিল। তারপর আমি ওকে চিত করে বুক নিচে আর পিঠটাকে উপরে দিয়ে শুইয়ে দিলাম। খানিকটা অলিভ অয়েল হাতে নিয়ে ওর ঘাড়ে,পিঠে মাসাজ করতে থাকলাম। একবার শুধু ওকে বললাম, “ভালো লাগছে?

”ও অস্ফুট স্বরে নাক দিয়ে কেমন একটা শব্দ করলো যেটা শুনে আমার মনে হল ওর আরামই লাগছে।আমি ওকে মাসাজ করে দিতে লাগলাম। পিঠ থেকে আস্তে আস্তে নিচে নামলাম। ওর পাছাটা আমার কাছে খুব ভালো লাগলো। সুন্দর মসৃণ একটা পাছা। মাঝারি একটা ঢেউ উঠে আবার রানের সাথে এসে মিলিয়ে গেছে। মাঝের খাঁজটা অনেক গভীর লাগলো। আরো চিত হয়ে শুবার কারণে ওর পাছাটা অনেক টাইট মনে হচ্ছিল। আস্তে আস্তে ওর পায়ের দিকে নেমে এলাম। অনেক সুন্দর ওর পা দুটো। পা মাসাজ করার সময় চোখ পড়ল ওর গুদের দিকে। আমার চোখ খনিকের জন্য সেখানে আটকে গেল। আমি সেইবার প্রথম কোন মেয়ের গুদ বাস্তবে দেখছিলাম। ওর গুদটাতে একটা নিবিড় যত্নের ছাপ আমার চোখে পড়ল। সুন্দর করে লোম গুলো ছাটা। একেবারে নীট এন্ড ক্লিন। আমি একটু ভালো করে দেখার জন্য ওর পা দুটো আমার দুই কাঁধে নিয়ে মাসাজ করতে করতে ওর গুদটা দেখছিলাম। জিনিসটা কিছুটা একটা মানুষের ঠোঁট আর ওষ্ঠ্য মিলিয়ে যা হয় তাই। আর তার মাঝের ছিদ্রটা সহ দেখে মনে হয় ঠোঁটটা হাসছে। আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম আমি মাসাজ করছি না, হাঁ করে সপ্নার গুদ দেখছি। পুরো জিনিসটা আমার কাছে খুব সুন্দর লাগলো। গুদটা থেকে একটু একটু করে পানি পড়ছিল। তখন দেখে মনে হয়েছিল ওর অর্গাজম হয়ে গেছে। কিন্তু পরে ভাল করে খেয়াল করে বুজলাম সেটা আসলে অর্গাজমের প্রাইমারী পিরিয়ডে যে রস বের হয় মেয়েদের সেটা। ভিজে পুরা চুপচুপা হয়ে গিয়েছিল সপ্নার গুদটা। সেদিন ও অনেক এক্সাইটেড হয়ে গেছিলো তখন ওর গুদ দেখেই টের পেয়েছিলাম। ওর গুদের কালারটা ওর বডি কালারের মতই ছিল। যেসব পর্ণোমুভি দেখেছিলাম সেগুলোর নায়িকা গুলোর গুদ অনেকটা বডি কালারের সাথে মিলত না। অবশ্য ভালো কোয়ালিটির পর্ণোমুভি হলে সেটা ভিন্ন কথা । তবে আমার ফ্রেন্ডরা যারা মাগী লাগিয়েছিল বা গার্ল ফ্রেন্ডের লগে সেক্স করার Experience ছিল ওরা বলত বাংলাদেশের গুদ নাকি কালা, ইন্ডিয়ার গুদও নাকি কালা। জাপানের গুদ নাকি ধলা। তখন আমার বিশ্বাস হইত না। সপ্নার গুদটা দেখে সেই বিশ্বাসে আরো ভাঁটা পড়ল। পরের দিন সপ্নাকে এই কথা বলতেই ও আমার বন্ধুদের পক্ষ নিয়ে বলল ওরা নাকি ঠিকই বলেছে। যাই হোক কি আর করা। যেহেতু সপ্না আমার সেক্সের গুরু, তাই তার কথাই ঠিক, নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করলাম।ওর পা মাসাজ শেষ করে ওকে সোজা করে শুইয়ে দিয়ে বুকে মাসাজ করতে লাগলাম। বুকে চাপ পড়তেই ওর মুখে কেমন যেন একটা প্রশান্তি দেখতে পেলাম। সেটা দেখে আমি ঐ দিন বেশ কিছুক্ষন ওর বুকে মাসাজ করলাম। দুধ গুলো আলতো করে টিপে দিলাম। আমি যতই টিপছিলাম ওর দুধ গুলো ততই হলুদ ফর্সা থেকে লাল হয়ে যাচ্ছিল। আমি যে শুধু ওর প্রশান্তি দেখেই দুধ টিপছিলাম সেটা একেবারে ঠিক নয়। দুধগুলো টিপতে আমারো ভালো লাগছিল। ও হঠাৎ বলে উঠল, “Dry up my pussy, Please, dry up my pussy.”নেমে এলাম পায়ের কাছে । ওর Pussy তে কিছুক্ষণ আঙ্গুল দিয়ে Fuck করলাম। কিন্তু দেখলাম ও সেটা সহ্য করতে পারছে না। তাই Fuck করা বন্ধ করে দিয়ে আমি ওর গুদের মাঝে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম। কারণ Fuck করতে গিয়েই যদি ওর অর্গাজম হয়ে যেত তাহলে পুরো মজাটাই নষ্ট হয়ে যেত এই ভয়ে। কিছুক্ষণ হাত বুলিয়ে আদর করার পর আমি গিয়ে ওর দুই পায়ের মাঝে বসলাম। ডিলডোটা হাতে নিয়ে ওটাতে সামান্য লুব্রেকেটিং অয়েল মেখে ভাইব্রেটর টা অন করে দিলাম। তারপর আস্তে আস্তে আমি ওর গুদের মাঝে সেটা চালাতে থাকলাম। ওর চোখ মুখ দেখে মনে হচ্ছিল ও খুব আরাম পাচ্ছিল। সত্যি কথা বলতে কি ওর গুদটা দেখে আমারই বাড়াটা ঢুকাতে ইচ্ছা করছিল। কিন্তু শুধু কনডম ছিল না, এই ভয়ে ঢুকাতে পারি নাই। হয়ত বেড লাক ছিল । তবে পরের দিনই সপ্না আমার ইচ্ছাটা ওর যৌনজ্ঞানের বদৌলতে কনডম ছাড়াই পূরণ করে দিয়েছিল। আমার সেক্স সম্পর্কে ধারনা কম থাকার জন্যই ঐ দিন কষ্ট করে ডিলডো খুঁজতে গিয়েছিলাম। সেই ঘটনা পরে লিখবো।তারপর আমি ডিলডোটা নাড়তে লাগলাম আস্তে আস্তে। দেখলাম পুরোটা ওর গুদের ভেতর অদৃশ্য হয়ে গেল। আমি আবার বাহিরে টেনে বের করে আনলাম। আবার ঢুকালাম। এভাবে কিছুক্ষণ করার পর ওর গুদ মাল ছাড়া শুরু করলো। আমি দ্রুত ডিলডো টা বের করে এনে, মুখ দিয়ে চুষতে থাকলাম ওর গুদটা । আমার জিহ্বার নড়াচড়াতেই মনে হয় ও কাতরাতে লাগলো। আর এদিকে আমি জিহ্বার কম্পন বাড়িয়ে দিলাম। ওর মাল কিছু আমার মুখে ঢুকল,কিছু বিছানায় পরে গেলো। স্বাদটা কিছুটা এলসিনোর মত। তবে পুরোপুরি না। মাল ছাড়া শেষ হলে আমি চেটে পুটে সব পরিষ্কার করে গেলাম ওয়াশরুমে। হাত থেকে প্রথমে সপ্নার মাল আমার বাড়াটাতে লাগিয়ে, পিচ্ছিল করে খেঁচতে লাগলাম। সপ্নাকে আর বিরক্ত করলাম না। ও টায়ার্ড ছিল, মাল ছাড়ার পর হয়ত ঘুমিয়েও গিয়েছিল। আমিও দ্রুত মাল খসালাম। তারপর জিনিসপাতি সব গুছিয়ে একটা টাওয়েল দিয়ে ওর গুদটা মুছিয়ে দিলাম।এরপর ন্যংটোই গিয়ে ওর পাশে শুলাম। কেন জানি ঐদিন Nude Sleep দিতে ইচ্ছা করছিল। আমি শুয়ে ওকে কাছে টেনে বুকে জড়িয়ে ধরলাম। ভেবেছিলাম ও ঘুমিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম সপ্না যেন ঘুমের ঘোরেই আমাকে জড়িয়ে ধরছে। তারপর কাঁথা মুড়ি দিয়ে ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে মনের মাঝে একটা অন্যরকম প্রশান্তি নিয়ে চোখ বন্ধ করলাম। আর প্রায় সাথে সাথেই তলিয়ে গেলাম অতল ঘুমের সাগরে।রাতে কয়টা বাজে ঘুমিয়েছিলাম সেটা ঠিক খেয়াল ছিল না, তবে সকালে ঘুম ভাঙল যখন,তখন ঘড়িতে প্রায় এগারোটা বাজে। জানালার মোটা পর্দা গুলার কারণে রুমের ভেতরটা তখনও অন্ধকার ছিল । আমার বুকে সপ্না অঘরে ঘুমিয়ে আছে। পুরো শরীরটা আমার গায়ের সাথে লেপ্টে ছিল । আমি ওকে একটু কাছে টেনে ওর মাথায় একটা চুমু দিলাম । আনমনে ওর চুলে হাত বুলাতে বুলাতে মনে হল সত্যিই ‘নারী’ স্রষ্ঠার এক অপূর্ব সুন্দর সৃষ্টি । অনেক্ষণ হল ভ্যানের জন্য দাড়িয়ে রয়েছি কিন্তু কোন ভ্যানের খোজ নেই। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হয়ে গেছে এক পশলা, আকাশও এখনও গম্ভীর। মোবাইলের স্ক্রিনে টাইম দেখলাম, ১০টা ১৭। এত রাতে বাজারে কোন ভ্যান নেই। বৃষ্টি না হলে থাকত। কি আর করা। হাটতে লাগলাম। খালার ঔষধ কিনতে এসেছিলাম, আসার সময় যদিও ভ্যান পেয়েছিলাম, কিন্তু এই মুহুর্তে বাজারে যেমন কোন ভ্যান নেই তেমনি ঔষধের দোকান ছাড়া একটা ছোট্ট চায়ের এই দুটো ছাড়া অন্য কোন দোকানও খোলা নেই। বাধ্য হয়ে হাটা শুরু করলাম, মাটি দিয়ে বৃষ্টির গন্ধ বের হচ্ছে। আবার টিপটিপ করে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একটু জোরেই হাটা শুরু করলাম, গার্ল্স স্কুলের কাছা কাছি আসতে না আসতেই একটু জোরে শুরু হয়ে গেল। বাধ্য হয়ে দ্রুত পাশে একগাছের নিচে দাড়ালাম, আশপাশে কোন দোকান-পাটও নেই, বড় শিশু গাছ কিন্তু ছাট এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে পকেটের সিগারেট আর ম্যাচ বের করে গাছের বিপরীত প্রান্তে গেলাম, সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে ভাবলাম, কিছুক্ষণের মধ্যে না থামলে জাখালা খুলে শুধু লুংগি পরা অবস্থায় দৌড় দেব। ওদিকে বাড়ীতেও খালা ছাড়া আর কেউ নেই। তাই বাড়ীতে তাড়াতাড়ি যাওয়ার তাড়া ছিল। মনোযোগটা বিড়ির দিকেই ছিল, কিনতু হঠাৎ স্কুলের গেটটা খুলে যাওয়ার শব্দে তাকালাম সেদিকে। অন্ধকারে মনে হলো একজন মহিলা আর ১০/১২ বছরের একটা বাচ্চা, জোর করে বের করে দেওয়া হল। বাচ্চাটির হাত ধরে মহিলা এই শিশুগাছের দিকেই আসছে। আমার পাশেই দাড়াল। বৃষ্টির আচ আরো বেড়ে গেল। বাধ্য হয়ে জাখালা খুলে মাথায় দিলাম। গোটমোট হয়ে তারাও সরে আসল আরো গাছের কাছে। এতক্ষণে খেয়াল করলাম, ৩০/৩৫ বছরের মহিলা। আর খালি গায়ে বাচ্চাটা। -কি হয়েছে রে খুকি, তোদের বের করে দিল কেন? খুকির উত্তর দেওয়ার আগেই মহিলা জিজ্ঞাসা করল, তার শব্দে কেমন যেন একটা আতঙ্কের ছোয়া। -এই তো আমার বাড়ী বাজারের ঐ পাশে। -আর বলেন না বাবাজি, ভিক্ষা করে খায়, রাতে শোব বলে বাচ্চাটাকে নিয়ে ঐ স্কুলের ভিতরে গিয়েছিলাম, বারান্দায় শুয়েও ছিলাম, কিন্তু বের করে দিল। -কেন? -হ্যা, চোখ দুটো জন্মের সময় ছিল, কিনতু ছোটকালে বসন্ত হয়ে চোখদুটো গেল। -তাহলে এটা কে? -মুজিবর যেবার রাজা হল, তার দুবছর পরে আমার জন্ম। মনে মনে হিসাব করে দেখলাম। -তাহলে তো খুব বেশি না। চোখ ভাল হয়ে গেলে তুমি বিয়েশাদী করে জীবন পাল্টিয়ে ফেলতে পারতে। -আপনি মিথ্যা কথা বলছেন, আমাকে বোকা ভেবে মিথ্যা বলছেন। -তোমাকে মিথ্যা বলে আমার কি লাভ বল?

সাথে সাথে আমি এটাচড ওয়াশরুমে গেলাম। খুজতে গিয়ে শ্যাম্পু, কন্ডিসনার, পেস্ট, ব্রাস, পারফিউম, বডি স্প্রে, হেয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল হেন তেন বহুত কিছুই ছিল কিন্তু শুধু ডিলডোটা পাচ্ছিলাম না। কেন জানি খুব হতাশ লাগছিল। আমি পাগলের মত খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু পাচ্ছিলাম না। একটু পর বুঝলাম আমার মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে বোঝালাম মাথা গরম করলে পাওয়া যাবে না। তাই মাথা ঠাণ্ডা করে ভাবতে লাগলাম এমন একটা সেক্স টয় আমি কোথায় রাখতাম?

”আমি বললাম, “চা ই দাও। Deep sugar with light liquor.”–“ঠিক আছে,আমি আনতেছি। তারপর দুইজনে মিলে গল্প করবো।” এই বলে ও চা আনতে গেল।আমি স্পোর্টস চ্যানেল গুলা খুজতেছিলাম। HBO Cross করার সময় দেখলাম, টাইটানিক দেখাইতেছে। আমি HBO তে একটু hold করছিলাম। ঠিক ঐ মুহূর্তে সপ্না চা এর মগ হাতে এসে ঢুকল। টিভিতে চোখ দিয়েই চিৎকার করে হাত নাড়তে নাড়তে বাচ্চা মেয়েদের মত বলে উঠল, “টাইটানিক, টাইটানিক আমি দেখবো, আমি দেখবো।” তার হাতে যে চা আছে সেটার কথা সে একদমই ভুলে গেল। ফলে যা হবার তাই হল। খানিকটা চা পড়ে গেল নিচে।চা খাওয়া হলে আমরা দুইজন এক কাঁথার নিচে লাইট নিভিয়ে জড়াজড়ি করে মুভিটা দেখলাম। কাঁথাটা কিভাবে আসল সেটা একটু বলি। মুভিটা দেখার জন্য নাকি খুব রোমান্টিক পরিবেশ লাগে। সপ্নার কথা। তাই সে তখন এ.সি’তে রুম টেম্পারেচার ২০ ডিগ্রী তে সেট করে দিল। ওর বক্স খাটের ড্রয়ার থেকে একটা কাঁথা বের করে গায়ে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে পুরো মুভিটা শেষ করল। আমিও খুব এনজয় করেছিলাম মুভিটা। টাইটানিক আগেও দেখছি এই ঘটনার পরেও দেখছি। কিন্তু ঐ বারের মত মজা পাই নাই।মুভিটা শেষ করে সাড়ে ন’টার দিকে আমরা খেতে বসলাম। ও কাচ্চি বিরানী রান্না করছিল । অনেক মজা হয়েছিল। খেয়েছিলামও প্রচুর। সপ্না কথায় কথায় বলল ওর আব্বু নাকি রেড সেভেন এনেছে। আর সেটা তখন ওদের ফ্রিজেই ছিল। আমি শুনে তো খুশি। যাক অনেক দিন পরে খাওয়া যাবে। খাওয়া শেষ করে আমরা ফ্রিজ থেকে ওয়াইনের বোটল আর গ্লাস নিয়ে সপ্নার বেডরুমে গিয়ে বসলাম। দুজন মিলে গল্প করছিলাম। তখন বাজে সাড়ে দশটার মত। হঠাৎ কথা উঠল সেক্স নিয়ে ।–আচ্ছা,রিশাত,তুমি কি পর্ণোমুভি দেখ?

–হ্যাঁ,দেখি মানে দেখার চেষ্টা করেছিলাম কয়েকবার।–কেন? –দেখে ভাল লাগে না। সবগুলাই একরকম। কোন ভিন্নতা নাই। একঘেয়ে।–“তোমার তাহলে ভিন্নতাও দরকার,না?

” আমি চেয়ারে বসতে বসতে সপ্না কে বললাম। ও তখন কি একটা আনতে কিচেনে গিয়েছিল। এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে একটা দুষ্ট হাসি হেসে বলল, “কেন আমার হবু বর?

”–না,না, আমি এত গুলা খেতে পারবো না। আমি শুধু কাস্টার্ডটা আর নুডুলসটা খাবো।–ঠিক আছে,আগে শুরু কর না। বাকিটুকু পরে দেখা যাবে।খেতে খেতে জানলাম আংকেল বাসাতে আসবেন পনের দিন পর। এই কয়দিন ও বাসাতে একাই। আরও জানলাম আমাকে ওর সাথে প্রায় দুইদিন আর তিন রাত থাকতে হইতেছে।সন্ধ্যায় আমি সপ্নার রুমে খাটে শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। ও কিচেনে রাতের খাবার বানাচ্ছিল। ওর রুমটা অনেক সুন্দর করে সাজানো গুছানো। দেখেই বুঝা যায় একটা মেয়ের রুম। ডাবল বেডের বক্স খাট। খাটটা আবার অনেক নরম ছিল। শুইলে পুরা শরীর ঢুকে যায়। বিছানার সামনে একটা সিঙ্গেল কাউচ রাখা। সেটার পাশে আবার একটা হোম থিয়েটার। দেয়ালে রেক্টিংগুলার প্লাজমা টিভি। ২৭ ইঞ্চি হবে মনে হয়। তখনও এই গুলা আমাগো দেশে খুব প্রচলিত ছিল না। আংকেল মাঝে মাঝে বিদেশ গেলে নিয়ে আসতেন । ওর রুমের ডান দিকে মানে পূর্ব দিকে একটা বড় ব্যলকনি ছিল আর থাই গ্লাসের বিশাল জানালা। ওদের ফ্ল্যাটটার সবচেয়ে সুন্দর রুম মনে হয় সপ্নারটাই। রুমের ডিস্টেম্বারের সাথে ম্যাচ করে হালকা গোলাপি রঙের পর্দা লাগান হয়েছিল জানালাতে। পর্দা গুলা আবার খুব মোটা। বিছানার চাদরও হালকা গোলাপি কালারের ছিল। একটা এ.সি ও লাগানো হয়েছিল। যেটাকে ওর রুমে কিছুটা বেমানান লাগছিল । ব্যলকনি,জানালার পর এ.সি’র কোন দরকারই ছিল না। হয়ত ওটাও একটা বিলাসিতা ছিল।একটু পর ও এসে বলল, “বুজলা, বাসাতে বুয়া নাই। এজন্য সবকিছু নিজের হাতেই করতে হইতেছে। তোমারে সময় দিতে পারতেছি না।” আমি কিন্তু bore হইতেছিলাম না। তারপর বলল, “চা খাবা নাকি কফি?

Search for Akhi alamgir banladeshi singer fucking:

Akhi alamgir banladeshi singer fucking-81Akhi alamgir banladeshi singer fucking-23Akhi alamgir banladeshi singer fucking-32Akhi alamgir banladeshi singer fucking-56

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

One thought on “Akhi alamgir banladeshi singer fucking”

  1. Any sexual play is possible, I have many toys, bra and panties sets, stockings of different colors, some fetish costumes which could be used on requ..having great SEX, wearing sexy clothes, i love oral sex both getting and giving, roleplaying, love long sensual foreplay, i love cam 2 cam. I am Scarlett Blue, I love anime and cartoons, I love watching them I am a Pokemon fan and I am glad you here because I have so many thing to offer you, so please feel free to contact me. I am a very sexy and hot girl, I love to have fun and please the deepest and most perverted desires, I like to have fun and I do it very well, I can make your cock hard in an instant, I have huge tits full of milk for you , I would like to suck them ...